যদ্দূর
মনে পড়ছে আবছা আলো এক ঘর। বড় আলো, মেজো আলো, ছোট আলো – সমস্তই নেভানো। দক্ষিন-পূবে
একফালি বারান্দা আর জানালা হয়ে, নিয়ন আলো না, দ্বাদশীর চাঁদ নেপথ্য স্নিগ্ধতার কাজ
করে চলেছে। আর, ও’ঘরের সাদা আলোর খানিক ছিটে আসছে আবছা আলো ঘরে। যদ্দূর মনে পড়ছে,
চলে যাবার আগে স্নান সেরে এসে বুকের উপর থেকে গামছা সরিয়ে নিতেই সব্জে আলো ছড়িয়ে
পড়ল শ্যামল বৃন্ত থেকে মেঝেতে, গেলাসে, আমার চোখের গায়ে। শ্বাস নিতেই টের পেলাম, আতপ্ত
মাটির বুকে বৃষ্টি এসেছে অঝোরে। সবুজ সে, হাঁটছে ফিরছে। ফোঁটা ফোঁটা জল পান্না হয়ে
ছিটকে পড়ছে আবছা মেঝেতে। আশ্লেষ। চোখ বুজলাম, চোখ খুললাম। মনপুরা গেল থেমে। বহুকালের
চেনা সন্ধ্যাবেলার মিষ্টি মত সেই গন্ধ ম্লান হয়ে আসলো ধীরে ধীরে। দাবী ছিল পুরো
গান শোনাতে হবে। থেমে গেলে চলবে না মাঝপথে। সেদিনের অভ্যাস বশত ডান হাত বাড়িয়ে
গীতবিতান টেনে নিতে নিতে চোখ তুলে দেখলাম, সবুজ সে নেই। হাতে ঠেকল নবধারা জলের
জীবাশ্ম। শক্ত, ঠান্ডা, ধাতব। শীতলতা শীতলতা শীতলতা!
সবুজ
সে কখন্ চলে গেছে।
কিচ্ছুটি
টের পাই নি।
সাথে
উধাও হলুদ লেগে থাকা চেনা গীতবিতান।
হারিয়ে যাওয়া গীতবিতান- ভাল লেগেছে।
ReplyDeleteএই ব্লগ-এর যে কটি লেখা পড়েছি, প্রায়, আই রিপিট প্রায় সব কটাই অসম্পূর্ণ লেগেছে। মনে হয়েছে, লেখক বড় অমনোযোগী, বা বড় তাড়ায় লেখেন। সমস্ত লেখাই আরেকটু মনোযোগ দাবী করে, হোক না সে নিতান্তই খামখেয়ালে লেখা কোনো ব্লগ।
এই লেখাটি একটু এলোমেলো মনে হলেও, ভাল লেগেছে।