কড়া নাড়তেই ভয়ঙ্কর মুখগুলো
ঝোলা ফুঁড়ে ঈষৎ উঁকি দিল
আমার পায়ে দিব্যি পা গলিয়ে
অনুশাসক হয়ে উঠল সমস্ত শূণ্যতার
ভেসে যেতে যেতে দোকানের কাঁচে
বালুচরীর মসৃণ কোলে
আমার মুখ ঢেকে আসলো
সেই প্রাচীন অবয়ব...
সেই ভয়ঙ্কর আধুনিক মুখগুলো
বিকেলের চায়ের আসরে
পাশের চারতলার রেলিঙে
জাঙ্গিয়া-গেঞ্জির সাথে ঝোলে
শূণ্যতা
আর, শূণ্যের আরো গভীর দিয়ে
মজ্জার ভিতরে ভিতরে
শীতল হাওয়ার স্রোত আমার
চূড়ান্ত ধমনী, আমার আদরের
নীল ধমনী
ছিঁড়ে দিয়েছে, তাই, দ্যাখো,
চানঘরের দরজার তল দিয়ে
টাটকা উষ্ণ রক্ত
রাস্তা ডিঙিয়ে
তোমার কড়া ধরে আপ্রাণ নাড়া দেয়
আর, দরজা খুলতেই
তুমিও মুখোমুখি
হাঁড় কাপানো ঠান্ডা স্রোতের মত
ভয়ঙ্কর মুখগুলোর
No comments:
Post a Comment